- এক নজরে ডা. রফিক
১. এমবিবিএস (১৯৮৯):
১৯৮৯ সালে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জনের পর থেকে দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে বাস্তবভিত্তিক চিকিৎসাসেবায় সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা অর্জন করে আসছেন।
২. হাতে-কলমে উচ্চতর শিক্ষা:
মেডিসিন ও সার্জারি বিষয়ে এক বছরের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসায় দৃঢ় দক্ষতা অর্জন করেন।
৩. ঢাকার শীর্ষস্থানীয় প্রাইভেট হাসপাতালে চাকরি:
৯০–এর দশকের সেরা ও অত্যন্ত খ্যাতনামা একটি প্রাইভেট হাসপাতালে কর্মরত অবস্থায় মেডিসিন ও পরিপাকতন্ত্র-সংক্রান্ত রোগের চিকিৎসায় অধ্যাপক এন. আই. খান, অধ্যাপক মুবিন খানসহ স্বনামধন্য শিক্ষকদের সরাসরি তত্ত্বাবধানে বিশেষ অভিজ্ঞতা লাভ করেন।
৪. হৃদরোগে পিজিটি (১৯৯৩):
১৯৯৩ সালে বাংলাদেশের মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে হৃদরোগ বিষয়ে ছয় মাসের উচ্চতর প্রশিক্ষণ (PGT) গ্রহণ করেন।
৫. সৌদি আরবে কর্মজীবন:
রিয়াদের একটি কিডনি হাসপাতালে চার বছর আবাসিক চিকিৎসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সেখানে কিডনি রোগ, হেমোডায়ালাইসিস ও দীর্ঘমেয়াদি কিডনি সমস্যার ওপর বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ অর্জন করেন।
৬. মেডিসিনে পুনরায় পিজিটি (১৯৯৯):
১৯৯৯ সালে পুনরায় মেডিসিন বিষয়ে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্রেনিং (PGT) গ্রহণ করেন।
৭. সিকদার মেডিকেল কলেজে শিক্ষকতা:
প্রশিক্ষণ শেষে সিকদার মেডিক্যাল কলেজে মেডিসিনের শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন এবং এক বছর শিক্ষকতা করেন।
৮. আইসিডিডিআর,বি—তে দীর্ঘ কর্মজীবন:
২০০১ সালে আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইসিডিডিআর,বির কলেরা হাসপাতালে যোগ দেন এবং পরে গ্যাস্ট্রোইনটেস্টিনাল ইউনিটের প্রধান হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন।
উল্লেখ্য, কলেরা হাসপাতাল প্রতি বছর প্রায় ১.৫ লক্ষ রোগীর চিকিৎসা প্রদান করে—যা ডায়রিয়া, পেটের পীড়া, নিউমোনিয়া ও শিশু পুষ্টি গবেষণার ক্ষেত্রে বিশ্বে অনন্য।
৯. আন্তর্জাতিক দায়িত্ব ও প্রশিক্ষণ:
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)–এর পরামর্শক চিকিৎসক হিসেবে ইরাক, কুর্দিস্তান, সুদান ও তানজানিয়ায় দায়িত্ব পালন।
জর্ডানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিশেষ প্রশিক্ষণ গ্রহণ।
দেশে প্রায় ১৫০ জনেরও বেশি চিকিৎসককে এবং বহু বিদেশি শিক্ষার্থীকে ডায়রিয়া বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান।
১০. গবেষণা ও আন্তর্জাতিক উপস্থাপনা:
স্বাস্থ্যবিষয়ক বিভিন্ন গবেষণা উপস্থাপন করেছেন জাপান, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য (UK) ও নরওয়েতে। এসব দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা সম্পর্কে স্বচক্ষে ধারণা লাভের পাশাপাশি বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন।